Posts

সূর্য | পৃথিবী সম্পর্কে প্রশ্ন উত্তর

 সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা কতগুন বড়? সূর্যের আয়তন পৃথিবীকে অপেক্ষায় খুবই বড়। সূর্যের আয়তন প্রায় ১,৩৯,৭৭,০০০ কিউব কিলোমিটার (কিউ) এবং পৃথিবীর আয়তন প্রায় ১,০০০৩,৭৫৬ কিউ কিলোমিটার। এর মাধ্যে সূর্যের আয়তন প্রায় ১.৩ মিলিয়ন বার পৃথিবীর আয়তনের মধ্যে। অতএব, সূর্য পৃথিবীকে অপেক্ষা করলে সূর্য খুবই বড় এবং আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়। সূর্যের আয়তন কত?  সূর্যের আয়তন প্রায় ১.৪ কোটি কিউব কিলোমিটার (কিউ)। এটি সূর্যমণ্ডলে একটি বৃহত্তর আয়তনের নক্ষত্র হিসেবে প্রকাশ পায়। সূর্যের ভর প্রায় ১,৯৯,০০০ গুণ পৃথিবীর ভরের চেয়ে বেশি, এবং এটি প্রায় ১৯৯২ কোটি ট্রিলিয়ন টন। এছাড়াও, সূর্যের তাপমাত্রা প্রায় ১.৫ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং অতি গতিতে এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল বা ১,০৭,২০০ কিমি বাহু দিয়ে গতিতে চলে যাচ্ছে। পৃথিবীর আয়তন কত? পৃথিবীর আয়তন প্রায় ১,০০০৩,৭৫৬ কিউব কিলোমিটার (কিউ) বা ১.০৪ ট্রিলিয়ন কিউব ফুট। এটি একটি স্ফেরিক আকৃতি তার ব্যাসার্ধির মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, যা প্রায় ১২,৭৭৯ কিলোমিটার (৭,৯২১ মাইল)। এটি বৃহত্তর এবং দক্ষিণবৃত্তান্ত অমিল হওয়া কা...

রোবট আবিস্কার করেন কে.?

  রোবট আবিষ্কার করা হয়েছে বহুধা প্রযুক্তিগত উন্নতিতে যোগ দানের জন্য এবং এই ক্ষেত্রে অনেকগুলি ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান যোগদান করেছে। কিছু বিশেষজ্ঞের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে: আইজাক আসিমওভ (Isaac Asimov): আইজাক আসিমভ পরিসংখ্যানবিজ্ঞানের প্রস্তুতকারী ছিলেন এবং একটি প্রসিদ্ধ সাইফাই লেখক ছিলেন, তিনি রোবট বিষয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলেন। তার অসিমোভ সেট অব রোবটিক্স নীতি এবং প্রস্তুতকারী তার কাজের জন্য প্রস্তুতকারী হিসেবে পরিচিত। জসেফ এঙ্গেলবার্ট (Joseph Engelberger): এঙ্গেলবার্ট প্রথম প্রযুক্তিগত প্রতিস্থাপন রোবট নামক শব্দ তৈরি করেছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সালে প্রথম সঙ্গে কাজ করতে পারা রোবট তৈরি করেন। আলান টুরিং (Alan Turing): কম্পিউটার বিজ্ঞানের জগতে মহান আলান টুরিং, যার টিউরিং মেশিনের বক্তব্য বোঝানো হয়, রোবটিক্সের জনক হিসেবে মনোনিবেশ করা হয়েছে। কার্লোস ভুটাঙ্ডট (Carlos Villanueva Brandt): ভুটাঙ্ডট একজন ভেনেজুয়েলান ইঞ্জিনিয়ার এবং বৃহত্তর দক্ষ রোবটিক্স উদ্যোক্তা ছিলেন, যার কাজের ফলে বলা হয়েছে যে, তার কাজ ভবিষ্যতে অভিযানগুলি উদ্ভাবন করতে সহায় করতে পারে। রোবটিক্স এবং এই ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন...

পিঁয়াজ কাটলে চোঁখ দিয়ে পানি বের হয় কেনো?

  পিঁয়াজের কাটা সময়, আপনি চোখে পানি পাচ্ছেন কারণ এটির অংশে আছে অলফ্যাটেস (Allyl Sulfide) নামক একটি রাসায়নিক যৌগ। যখন আপনি পিঁয়াজ কাটতে থাকেন, তখন অলফ্যাটেস একটি গ্যাসে রূপান্তরিত হয় এবং এটি আপনার চোখে পৌঁছাতে পারে। অলফ্যাটেস একটি ইরিটেটিং গ্যাস হতে পারে এবং এটি চোখের শক্তির কারণে চোখের শক্তির কারণে চোখে প্রকাশ হতে পারে, যা চোখে পানি বের হতে বা চোখের সাথে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এই গ্যাসের কারণে চোখে অস্থায়ী অসুস্থতা অনুভূত করতে পারে, যদি এটি বেশি হয়। পিঁয়াজ কাটতে সময়, চোখ সুস্থ থাকার জন্য আপনি কিছু প্রস্তুতি নিতে পারেন, যেমন পিঁয়াজ কাটার সময় উচ্চ তীব্রতা এবং চোখ সুরক্ষার জন্য কাউচ ব্যবহার করা। এছাড়াও, পিঁয়াজ কাটার সময় চোখের দিকে তাড়াতাড়ি দেখা উচিত নয় এবং কোনও গ্যাসের উদাসীন হোনা সুনিশ্চিত করতে বুঝতে পারে।  

30,000 এর মধ্যে পারফর্মেন্স ও কনফিগারেশন অনুযায়ী কোন ব্রান্ডের ল্যাপটপ ভালো হতে পারে?

Image
    ৩০,০০০ টাকা মানে মৌলিকভাবে সবচেয়ে উচ্চ ক্ষমতা এবং কনফিগারেশনে যেভাবে একটি ল্যাপটপ ভালো হবে তা বিবেচনা করা হয় কিছু মৌলিক দক্ষতা উল্লেখ করে: ১. প্রসেসর (Processor): একটি দ্বিপৃষ্ঠী এবং দ্রুত প্রসেসর প্রধানভাবে ল্যাপটপের কর্মক্ষমতা নির্ধারণ করে। মোবাইল কম্পিউটিংের জনপ্রিয় প্রসেসর কম্পানির মধ্যে Intel এবং AMD উল্লেখযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, Intel Core i5 বা এর চেয়ে উচ্চ সিরিজ অথবা AMD Ryzen 5 এবং তাদের চেয়ে উচ্চ ভার্সন ভালো হয়। ২. র‍্যাম (RAM): একটি দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল র‍্যাম, যা ল্যাপটপে সিস্টেম কোনও কাজ করতে হলে কিছুটা মেমোরি প্রয়োজন করে। 8GB র‍্যাম মিনিমাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে 16GB ভালো হয়ে থাকে বেশি কাজ করার জন্য। ৩. স্টোরেজ (Storage): সবচেয়ে বেশি উপকারে আসতে পারে একটি SSD (Solid State Drive)। এটি দ্রুত এবং দুর্যোগপ্রতি হোকার ক্ষমতা দেয়। ২৫৬GB বা তার উপরের SSD একটি সুবিধা হতে পারে। ৪. গ্রাফিক্স (Graphics): যদি ল্যাপটপটি গেমিং বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং জন্য হয়, তাদের জন্য ভালো একটি গ্রাফিক্স কার্ড থাকা গুরুত্বপূর্ণ। NVIDIA এবং AMD হল প্রস্তুতকারী গ্রাফিক্স ...

সম্রাট অশোক

সম্ভবত ২৭৩ খ্ৰীষ্টপূৰ্বাব্দে বিন্দুপারের মৃত্যু হলে পুত্র অশোক নগধ সাআাজ্যের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হন। অশোকের রাজ্যাভিষেক হয় চার বৎসর পরে; এই বিলম্ব নিয়ে পণ্ডিতের| অনেক,গবেষণা করেছেন। শোনা যায় যে পিতার জীবদ্দশায় অশোক তক্ষশিলা, উজ্জয়িনী প্রভৃতি স্থানে সম্রাটের প্রতিনিধিরূপে শাসনকার্ধ পরিচালনায় লিপ্ত ছিলেন। পিতা মৃত্যুশয্যায় জানতে পেরে উজ্জয়িনী থেকে তিনি পাটলিপুত্রে উপস্থিত হন এবং পিতার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে হত্যা করে সিংহাসন দখল করেন। ভাইবোন অশোকের ছিল অনেক ; কিন্তু মনে হয় যে কোনও কোনও কাহিনীতে নিরানব্বইজন ভাইকে অশোক হত্যা করেছিলেন বলে যে রটনা আছে তা কাল্পনিক। সম্ভবত বৌদ্ধধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার চরিত্রে যে এক অভাবনীয় পরিবর্তন এসেছিল, চণ্ডাশোক কেমন করে | ধৰ্মাশোকে পরিণত হলেন, একথা প্রমাণ করার জন্য ও ধরনের উদ্ভাবন ও অতিৰঞ্জন কাহিনীতে ঢুকিয়ে দেওয়া...

চণ্ডীমঙ্গল কাব্য

 চণ্ডীমঙ্গল কাব্য "দেবী চণ্ডীর আখ্যান সংচক কাব্য চণ্ডীমঙ্গল কাব্য । বাংলা সাহিত্যে চ'ডীমঙ্গল কাব্যের আবির্ভাব মনসামঙ্গলের পরে, কিন্তু বাংলা দেশে চণ্ডী অতি প্রাচীন দেবী। আর্য আগমনের আগে থেকেই চণ্ডী অস্ত্যজ শ্রেণী দ্বারা পাজিত হয়েছেন। মার্কণ্ডেয় পরাণেও (খত্রীঃ ৩য় শতক) দেবী চণ্ডীর বিস্তৃত পরিচয় আছে। ইনি অসুরদলনী, মহিষাস রবিনাশিনী। ইনি শিবপত্নী, শিব-শক্তিও। অপৌরাণিক ও পৌরাণিক এই দুই ধারার মিলন ঘটেছে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে । 'চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্যমূলক কাব্য চণ্ডীমঙ্গল কাব্য । এই কাব্যের দুটি কাহিনী 'যথাক্রমে 'আখেটিক খণ্ড' ও 'বণিক খণ্ডে' বিবৃত হয়েছে। আখেটিক অর্থ— ব্যাধ । এতে প্রমাণ পাওয়া যায়, দেবী চণ্ডীর পূজা প্রথমে আর্যেতর সমাজে প্রচলিত হয় এবং পরে অভিজাত শ্রেণীর (বণিক) মাধ্যমে এই পূজোর প্রচলন সমাজের 'সর্বস্তরে ঘটে। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রথমে আছে হর-পার্বতীর লীলা। এই বর্ণনার পরে শত্রু হয়েছে যথাক্রমে 'আখেটিক খণ্ড' ও 'বণিক খণ্ড'। আখেটিক খণ্ড :   দেবী চণ্ডীর অভাবের সংসার। তাঁর স্বামী শিব আত্মভোলা, শ্মশানবাসী ভিক্ষ...

বাংলা সাহিত্যে চৈতন্যদেবের প্রভাব

  বাংলা সাহিত্যে চৈতন্যদেবের প্রভাব বাঙালীর ধর্মে-কর্মে মননে চৈতন্য এনেছিলেন নবজাগরণ। একটি নির্জিত জাতি তার কাঙ্ক্ষিত প্রেরণা লাভ করল চৈতন্যের আবির্ভাবে। জীবনাচরণে ও ধর্মের আচারসর্ব তার পরিবর্তে দেখা দিল হৃদয়ান ভূতি। অন ভবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ চিরকালই তো সাহিত্য। বাংলা সাহিত্য তাই চৈতন্য জীবনী ও বাণীতে নবরসে উজ্জীবিত হল । মঙ্গলকাব্যগুলির গতান,গতিক ধারায়, ক.ফপ্রেম-আখ্যানে অথবা রামায়ণ-মহাভারত ইত্যাদি পরাণ-অন বাদে উন্নত সাহিত্যিক গুণাবলীর অভাব ছিল চৈতন্যপূর্ব যুগে । চৈতন্যের সমকালে এবং পরবর্তী তিনশ' বছরে পণ্ডিত ও রসজ্ঞ ব্যক্তিরা সাহিত্য- সেবায় অগ্রসর হলে ভাষার গাম্ভীর্য ও প্রকাশলাবণ্যে পূর্বেবর্তী সাহিত্য-উপাদান শ্রেষ্ঠ সাহিত্যে উন্নীত হল। চৈতন্য চরিত্রের প্রভাব তখন নায়ক চরিত্রে, চৈতন্যধর্মে'র প্রভাব ঘটনা সন্নিবেশে। কৃত্তিবাস, মকুন্দরাম অথবা নারায়ণদেব, মধ্যযুগের সব শ্রেষ্ঠ কবিই বৈষ্ণবধর্ম' দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চরিত্র-নির্মাণ করেছেন, ঘটনা সন্নিবেশিত করেছেন তাঁদের কাব্যে, যা ভক্তির প্রকাশ বা বৈষ্ণবীয় চিন্তারই নামান্তর। কৃত্তিবাস চিত্রিত তরণীসেন রামভক্ত, কিন্তু ত...